আড়িয়াল বিল

Aug 24, 2019
156 Views

যান্ত্রিক শহর থেকে একটু প্রশান্তির আশায় #গৃহত্যাগী একটি ডে ট্যুরে আয়োজন করে। এই ট্যুরে মোট সদস্য ছিলাম ৪৩ জন।

★ যা যা দেখবেন

  • আড়িয়াল বিল
  • যদুনাথ রায়ের জমিদার বড়ি
  • জগদীশ চন্দ্র বসুর বাড়ি

★ কি ভাবে যাবেন এবং কোথায় খাবেন?

আমরা সকাল ৮.৩০ টার মধ্যে গুলিস্থানে পৌঁছে মুন্সিগঞ্জের গাড়িতে উঠি। গড়ি থেকে ঠিক ১০টায় আমাদের নামিয়ে দেয় শ্রীনগরে। শ্রীনগরে গাড়ি যে পাশে নেমে দিবে তার অপজিশন পাশে একটি রাস্তা দিয়ে ৩-৪ মিনিট হাঁটলেই পাওয়া যায় চকবাজার। সেখান থেকে সকালে নাস্তা নিয়ে ১-২ মিনিট হেঁটে পৌঁছে যায় ট্রলার ঘাটে সেখান থেকে দুটা ট্রলার নিয়ে আমরা আড়িয়াল বিলে দুপুর ১২.৩০ টা পর্যন্ত ঘুরাঘুরি, বিলের পানিতে গোসল করি, শাপলা ফুল তুলি। তারপর রওনা দেই ঘাটে উদ্দেশ্যে, ঘাটে পৌঁছে ঘাটের রস্তার সঙ্গে একটা কিন্ডারগার্টেন স্কুলে প্রবেশ করে মেয়েরা ড্রেস চেঞ্জ করতে থাকে এবং ছেলেরা কেউ কেউ পাশের মসজিদে যাই। তারপর আমরা চকবাজারে গিয়ে একটা হোটেলে দুপুরের খাবার খেয়ে নেই। সেখানে থেকে আটো রিজার্ভ করে প্রথমে জগদীশ চন্দ্র বসুর বাড়ি ঘুরে তারপর যাদু নাথ রায়ের জমিদার বাড়ি ঘুরে রিজার্ভ করা আটোতেই চলে আসি মাওয়া ঘাটে সেখানে সকালে নাস্তা করে সন্ধ্যা ৭ টায় গাড়ির টিকিট কেটে ঢাকার উদ্দেশ্য রওনা দেই আমরা গুলিস্তানে এসে পৌঁছায় রাত ১০ টায়। আমাদের পৌঁছাতে একটু লেট হয় কারণ পথে আমাদের গড়ি ২বার নষ্ট হয়। আমরা ১০টায় পৌঁছে নিজ নিজ বাসায় চলে আসি।

★ খরচ

এই ট্যুর যেহেতু আমরা গৃহত্যাগী নামে একটা গ্রুপ গিয়েছিলাম আমাদের ট্যুর প্যাকেজ ছিল ৮৫০ টাকা করে।

Author
Md Muntasir Akthar Sifat

Md Muntasir Akthar sifat

নিজের সম্পর্কে বলার মতো অতো বড় কোনো পরিচয় এখন অব্দি হয়নি তবে এক সময় হেব এটা আমি জানি। তারপরও সাধারন পরিচিতি বলতে যা বুঝায় আমি একজন সাধারন ছেলে। #স্বভাব: আমি খুব জটিল,ভীষণ সহজ এবং আবেগী নিতান্তই সহজ-সরল খোলা মনের মানুষ...আমার অভিধানে কান্না বলে কিছু নেই, তবে কষ্ট পাই খুব সহজে... যে যা দেয় তা ফিরিয়ে দেই। সে যদি হয় ভালোবাসা, তবে ভালোবাসা, অবহেলা হলে অবহেলা, কষ্ট হলে কষ্ট... আমার এ নীতি থেকে আজ পর্যন্ত বিচ্যুত হইনি,হতে চাইও না... আমি অতি ভাল এবং অতি খারাপ দুটোর একটি ও নই। আমি সবর্দা চুপচাপ থাকি।আমি যদি কনো সময় রেগে যাই তাহলে নিজেকে সামলে রাখতে পারি না। '''আমি সবর্দা অন্যায় প্রতিবাদ করার চেষ্টা করি।।।আর আমার কাছে যে যেমন স্বভাব দেখাবে সে আমার কাচে সে রূপ স্বভাব দেখবে।।।আমি কখনো কারো চামচামি করি না এবং কেউ করে তাও ভাল লাগে না।।। '''আমাকে নিয়ে কে কি ভাবে এইসব নিয়েও আমার মাথাব্যাথা নাই। কেউ যদি মনে করে আমি ছেলেটা খারাপ তাহলে খারাপ,কিছু করার নাই । কেউ যদি মনে করে আমি ভালো তাহলেতো ভালই। আমি আমার মতোই থাকি,আমার মতো চলাফেরা করি। মানুষের সামনে নিজেকে আড়াল করে ভালো সাজার কোনো ইচ্ছা নাই । তবে আমাকে নিয়ে কার কেমন ধারণা এটা মোটামুটি আমি জানি । '''যে কোনো কিছু করতে গেলে অনেকের কাছে অনেক কথাইশুনতে হয় । কেউ আশা দেয়,কেউ হতাশ করার চেষ্টা করে । এটাই স্বাভাবিক । কিন্তু দিন শেষে এরা কেউ আমার সাথে থাকে না । দিনশেষে দিনের সব প্রাপ্তি কিংবা অপ্রাপ্তি আমাকেই স্পর্শ করে । তাই আমি কারো কথায় কান দেই না । সব প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তি আমার । চিন্তা ভাবনাও আমার । মানুষের কথা কানে নেয়ার কোনো মানে দেখি না ... '''মানুষের বাইরের দিকের চাইতে তার মানসিক দিকটাই আমাকে বেশি আকর্ষণ করে । যখনই একটা মানুষের সাথে পরিচিত হই তখনই জানতে ইচ্ছা করে এই মানুষের মনের মধ্যে কি আছে !!এই মানুষের মানসিক দিকটা কেমন ? সহজ নাকি জটিল ?এই মানুষের মনের মধ্যে কি গভীর কোনো কষ্ট আছে কিংবা হতাশা ??আমার চোখের সামনে যা ঘটে আমি খুব মনোযোগ দিয়ে তা দেখি । আমার চোখের সামনে কেউ একটা কাজ করল,আমি সবসময়ই চিন্তা করি, এই কাজের পেছনে এই মানুষটার মোটিভ কি ?তার মনের মধ্যে কি ছিল এই কাজ করার পেছনে ? আমি অনেক উত্তর পেয়ে যাই ।অনেক সময় অনেক ছোট একটা কাজ অনেক বড় কিছুর দ্বার খুলে দেয় ।আবার অনেক বড় কাজের পেছনে থাকে খুবই ক্ষুদ্র একটা কারণ । যে মানুষের সাথে আমার কোনোদিন কথা হয়নি কিন্তু চোখের সামনে দেখি তার মনের অনেক কথা দূর থেকে বুঝতে পারি । মানুষের মন মারাত্বক রকমের জটিল । এই জটিল জিনিসটার সহজ ব্যবচ্ছেদ আমাকে আকর্ষণ করে। আমি মানুষকে খুব ভালো চিনতে পারি । খুব দ্রুত ভালোভাবে চিনতে পারি ... "'আমি সবচেয়ে যেটা বেশি পছন্দ করি সেটা হলো জেগে জেগে স্বপ্ন দেখতে।বাস্তবে রুপ দিতে পারি আর না পারি,স্বপ্ন দেখতে খুব ভাল লাগে"

  • leave a comment

    Your email address will not be published. Required fields are marked *